রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬ টার দিকে গভীর সমুদ্র এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। সোমবার বিকেলে বঙ্গোপসাগর থেকে ফিরে আসলে আহতদের বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নিয়ে যায়। অবস্থা গুরুতর হওয়াতে দুজনকে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করেছে বলে বাঁশখালী হাসপাতাল সুত্রে জানা গেছে।
আহতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার শেখেরখীল ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড এলাকার আব্দুল জলিলের পুত্র মোঃ হাসান নুর, একই এলাকার মঞ্জুর আহমদের পুত্র আব্দুল জব্বার, একই ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের জেয়াবুল হোসেনের পুত্র মো এখলাস, ছনুয়া ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের মোঃ লোকমানের পুত্র মোঃ কলিম উল্লাহ, একই ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড এলাকার আজিজুর রহমানের পুত্র আব্দুল জব্বার।
ডাকাতির শিকার হওয়া ফিশিং ট্রলার মাঝি মোঃ হাসান নুর এবং আব্দুল জব্বারকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে প্রেরণ করেছে বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতাল কতৃপক্ষ।
আহত হাসান নুরের ছোট ভাই সৈয়দ নুর বলেন, রবিবার সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬ টার দিকে মাছ ধরার জাল বসানো অবস্থায় গভীর সমুদ্রে ডাকাত দল কয়েকটি বোট নিয়ে হঠাৎ মৃত নুরুল কাদেরের মালিকানাধীন (বিলকিস) ফিশিং ট্রলারকে ঘিরে ফেলে, এসময় ডাকাত দল বিলকিস ফিশিং ট্রলারে থাকা ১৬-১৭ জন মাঝিমাল্লাকে মারধর করেছে। ২৩ সেপ্টেম্বর (সোমবার) বিকেলে তারা ফিশিং ট্রলার নিয়ে ফিরে আসার পর আহত হাসান নুরসহ ৫ জনকে বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে চিকিৎসার জন্যে নিয়ে যায়। সেখান থেকে হাসান নুর এবং আব্দুল জব্বারকে চমেক হাসপাতালে রেফার করেছে, তারা বর্তমানে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে, আহত হাসান নুর মাঝির এখনো পর্যন্ত জ্ঞান ফিরে আসেনাই বলে জানিয়েছে তার ভাই সৈয়দ নুর।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালের জরুরি বিভাগ (এমারজেন্সি) সুত্রে জানা গেছে, আহত ৫ জন মাঝিমাল্লাকে হাসপাতালে আনা হয়েছে, তাদের মধ্যে দুজনকে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
বাঁশখালী থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, এবিষয়ে কোন ধরনের অভিযোগ আসেনি, তবে গভীর সমুদ্রে বোট ডাকাতির ঘটনা ঘটলে বোট মালিক এবং বোটের জেলেরা যেই থানারই হোকনা কেন, মুলত যে থানাধীন এলাকায় ডাকাতির ঘটনা ঘটে ওই থানাতেই মামলা বা অভিযোগ হয়ে থাকে বলে জানান ওসি সাইফুল।