দৈনিক সবুজ বাংলা ডেস্কঃ
বাঁশখালীর কাথরিয়া হালিয়া পাড়া চুনতি বাজার এলাকায় আওয়ামী নেতাকে প্রধান অতিথি করে মাহফিল করার ঘোষণা দেয়ায় পুরো এলাকাজুড়ে শুরু হয়েছে উত্তেজনা, পরে বন্ধের দাবিতে প্রশাসনে অভিযোগ।
কাথরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদককে প্রধান অতিথি ও সাবেক এমপি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর আস্থাভাজন ও আওয়ামী নেতা হারুনকে অতিথি করে ওই ইউনিয়নের চুনতি বাজারে আগামী ৩ ও ৪ জানুয়ারি (শুক্রবার -শনিবার) দুইদিন ব্যাপী মাহফিল করার ঘোষণা দেন কাথরিয়া আহমদীয়া সুন্নীয়া গাউছিয়া সংস্থা।উক্ত মাহফিলের ব্যানার পোস্টারে আওয়ামী নেতাদের অতিথি করার বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পরপরই পুরো এলাকাজুড়ে তীব্র উত্তেজনা দেখা দেয়।এধরণের বিতর্কিত ব্যক্তিদের অতিথি করে মাহফিল করার চেষ্টাকে আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়ন অপচেষ্টা ও ছাত্র-জনতার রক্তার্জিত বিপ্লবীকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শনের শামিল বলে মনে করছে এলাকাবাসী। আওয়ামী নেতাদের অতিথি করে মাহফিল করা হলে বড় ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও আশংকা রয়েছে।
তবে আওয়ামী নেতাদের বাঁধ দিয়ে মাহফিল করলে কোন ধরনের বাঁধা সৃষ্টি করবেনা এলাকাবাসী। এবিষয়ে রবিবার (২৯ ডিসেম্বর) এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে ইউপি সদস্য আবু তালেব উক্ত মাহফিল বন্ধ করতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, কাথরিয়া ইউনিয়নের চুনতি বাজারে বাঁশখালী আহমদীয়া গাউছিয়া সুন্নী সংস্থার উদ্যোগে (৩ ও ৪ জানুয়ারি) দুই দিন ব্যাপী এই মাহফিল আয়োজন করে আহমদীয়া সুন্নীয়া গাউছিয়া সংস্থা নামে এক সংগঠন।ওই মাহফিলে আওয়ামী নেতা ও ৭ নং সরল ইউপি সচিব মো. হারুন রশীদকে সভাপতি এবং কাথরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ চৌধুরীকে প্রধান অতিথি করা হয়েছে। বিষয়টি তৎকালীন আওয়ামী সরকারের আমলে নির্যাতনের শিকার হওয়া সাধারণ মহলের দৃষ্টিগোচর হওয়াতে এই উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগকারী ইউপি সদস্য আবু তালেব জানান, মাহফিলে আওয়ামীলীগ নেতাদের অতিথি করে স্বৈরাচারের দোষররা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়া ব্যক্তিদের অতিথি করে কোন অবস্থাতেই এই মাহফিল করতে দেবেনা এলাকাবাসী। তবে আওয়ামী লীগ নেতাদের বাদ দিয়ে মাহফিল করতে চাইলে কোনো ধরনের বাঁধা দেবেনা এলাকাবাসী।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জামশেদুল আলম জানান, মাহফিলকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা অবনতির আশঙ্কা আছে কিনা সেই বিষয়টি দেখে মতামত জানানোর জন্যে বাঁশখালী থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি)কে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।