দৈনিক সবুজ বাংলা ডেস্কঃ
বাঁশখালীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে ভিত্তিহীন ও বেফাঁস মন্তব্য করেছে বাঁশখালী উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব রেজাউল হক চৌধুরী।
সম্প্রতি উপজেলার ছনুয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত ঈদ পুর্ণমিলনী ও কর্মী সমাবেশে জামায়াত ইসলামীকে জড়িয়ে ভিত্তিহীন, মিথ্যা,অবান্তর বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা রেজাউল হক, তার এমন বেফাঁস বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে উপজেলা জামায়াত ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
সম্প্রতি ওয়ার্ড বিএনপির কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই বিএনপি নেতা বলেন, ৫ আগস্টের পর ১শ'টি মাজার ভাঙচে জামায়াত। এছাড়াও তার বক্তব্যে জামায়াত ইসলামীকে নিয়ে নানা বিষোধাগার বক্তব্য প্রদান করেন তিনি। কোন প্রমাণ ছাড়া ভিত্তিহীন এবক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাঁশখালী উপজেলা জামায়াতে ইসলামী।
রোববার (১৫ জুন) উপজেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্যাডে বাঁশখালী উপজেলা আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ ইসমাঈল ও সেক্রেটারী অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ আরিফ উল্লাহর এক যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছে। বিবৃতিতে তারা বলেন, রেজাউল হক চৌধুরী কোন প্রমাণ ছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে জড়িয়ে ভিত্তিহীন বক্তব্য প্রদান করেছে, জামায়াতে ইসলামীর মতো একটি আদর্শিক সংগঠনকে নিয়ে এধরণের অবান্তর উদ্দেশ্য প্রনোদিত বক্তব্য ও বেফাঁস মন্তব্য কোন শিক্ষিত ভালো মানুষের কাজ নয়, তার বক্তব্যে স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব ফুটে উঠেছে, যাকে পুনরায় জনগন আর দেখতে চায়না।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ওনার বক্তব্যের সমর্থনে সঠিক তথ্য-প্রমাণ দিতে হবে নতুবা ওনার বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাইতে হবে। অন্যথায় বাঁশখালীর জনগণ তার এমন বেফাঁস মন্তব্যের সমুচিত জবাব দেবে।
এবিষয়ে জানতে উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব রেজাউল হক চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, পুরো বাঁশখালীতে ১শ মাজার আছে বলে মনে হয়না, হয়তো আমার বক্তব্যকে ভিন্নভাবে প্রচার করা হয়েছে। এধরণের মন্তব্য তিনি করেননি বলেও জানান বিএনপির এই নেতা।