মুহাম্মদ দিদার হোসাইন, বাঁশখালী, চট্টগ্রাম।
বঙ্গোপসাগরে মৎস্য শিকার নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে কর্মহীন হয়ে পড়া বাঁশখালী উপজেলার মৎস্যজীবীদের জন্যে আসা ভিজিএফের চাল আত্মসাৎ অভিযোগে এমপির অভিযান, এতে এমপি বাদী আর ইউনিয়ন পরিষদ বিবাদী এবং ফয়সালা করবে আদালত, এমপি এমন কথা বললেও অভিযোগটি আদালতে পৌঁছার আগেই অভিযোগ গায়েব চেষ্টায় কথিত সাংবাদিক ও ফেইসবুকররা। এই নিয়ে পুরো এলাকাজুড়ে আলোচনা- সমালোচনা তুঙ্গে।
কেউ বলছে চাল আত্মসাতের অভিযোগে এমপির সফল অভিযান,কেউ বলছে ভিত্তিহীন, কেউ বলছে এমপির ব্যর্থ অভিযান। আবার কেউ বলছে ভিজিএফের চাল গায়েব,কেউ বলছে আদালত পাড়ায় যাওয়ার আগেই এমপির অভিযোগ গায়েব। কোনটিই সত্য? চাল আত্মসাৎ অভিযোগ নাকি অভিযানে এমপির ব্যর্থতা? না আদালত পাড়ায় পৌঁছার আগেই অভিযোগ গায়েব? তা নিয়ে সরগরম এখন সোস্যাল মিডিয়া।
এবিষয়ে খানখানাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন হায়দারের কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সিজিএফের চাল আত্মসাৎ করার অভিযোগটি বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আমার সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্যে একশ্রেণির স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে ভিত্তিহীন ও বানোয়াট মুলক অভিযোগ করেছে।
গত ২০ মে ২০২৪ইং থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন সাগরে মৎস্য শিকার নিষিদ্ধ করা হয়। নিষিদ্ধ সময়ে সমুদ্রে সকল প্রকার শিকার সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকবে। এ উপলক্ষে বাঁশখালী উপজেলার একটি পৌরসভাসহ ১৪ টি ইউনিয়নে প্রথম ধাপের চাল বিতরণ শুরু হয়েছে। মে মাসের শেষের দিক থেকে শুরু হওয়া চাল বিতরণ কার্যক্রম বিভিন্ন ইউনিয়নে চলমান রয়েছে বলেও জানা যায়। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে প্রথম ধাপের এ চাল পাবে বাঁশখালী পৌরসভার ৫২০ টি, শীলকূপ ৮০০টি, শেখেরখীল ৭৫০টি, সরল ৭০০টি, সাধনপুর ৩৭০ টি, পুকুরিয়া ১৬০ টি, পুঁইছড়ি ৭৭০টি, খানখানাবাদ ১০০০ টি, কাথরিয়া ১৫০ টি, কালিপুর ২০০ টি, গন্ডামারা ৯৭০ টি, ছনুয়া ১৪০০ টি, বৈলছড়ি ৬০ টি, বাহারছড়া ৬০০ টি, চাম্বলের ২৭৮ টি পরিবার।
তবে এবিষয়ে বাঁশখালীর সাংসদ মুজিবুর রহমান সিআইপি (এমপি)র কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করেছি, ৫৬ টন চাল থাকার কথা থাকলেও আমরা গণনা করে পেয়েছি ৩৯ টন, বাকী ১৭ টন পাইনি। ফেইসবুকে ভাইরালকৃত ভিডিও বক্তব্য অনুযায়ী ফয়সালা আদালতে হবে কিনা? জানতে চাইলে তদন্ত সাপেক্ষে যা হওয়ার তাই হবে বলে জানান এমপি মুজিবুর।