দৈনিক সবুজ বাংলা ডেস্কঃ
বাঁশখালীতে সাংবাদিককে টার্গেট করে হাড্ডি গুড্ডি ভেঙে ফেলার হুমকি প্রদান করায় সাবেক এমপি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী সাংবাদিকের মামলা।
বৃহস্পতিবার (৪) জুলাই ভুক্তভোগী সাংবাদিক শফকত হোসাইন চাটগামী বাঁশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সাবেক এমপি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের করেন। মামলা নং ৯৮৯/২৪)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার বাদী শফকত হোসাইন চাটগামী।
মামলার সুত্রে জানা যায়, গত ২৯ জুন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাংসদ মুজিবুর রহমান সিআইপির নেতৃত্বে শোভাযাত্রা ও বাঁশখালী উপজেলা সদরস্থ বাঁশখালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভার সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফুর তার বক্তব্যে সাবেক এমপি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে দলীয় কার্যালয় নির্মাণে চাঁদাবাজির অভিযোগ করেন। এমনকি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে সাবেক এমপি মোস্তাফিজ বুঝাতে চেষ্টা করেছেন যে নিজের বাড়ি না করে দলীয় কার্যালয় নির্মাণ করেছেন।অথচ এটি সম্পুর্ন মিথ্যা ও ভন্ডামি। মিথ্যার উপরই সাবেক এমপির জন্ম আখ্যা দিয়ে অধ্যাপক আবদুল গফুর আরো বলেন, দলীয় কার্যালয় নির্মাণে সাবেক এমপি ব্যাপক চাঁদাবাজি করেছেন।
কয়েকজন সাবেক ও বর্তমান চেয়ারম্যান ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানসহ আওয়ামী লীগ নেতার টাকা দিয়ে অফিস সংলগ্ন ছড়ায় গাইড ওয়াল নির্মাণ করে দেন, এভাবে সাবেক এমপি মোস্তাফিজুর রহমান আরো বহু মানুষের কাছে টাকা নিয়েছেন বলে বক্তব্য দেন গফুর।
আবদুল গফুরের বক্তব্যটি নিয়ে অন্যান্য পত্রিকার মত পরদিন ৩০ জুন রবিবার দৈনিক চট্টগ্রাম মঞ্চে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরই জের ধরে ওই দিন ৩০ জুন রবিবার বিকাল ৫.৩৩ মিনিটে মোবাইল ফোনে সাংবাদিক শফকত হোসাইন চাটগামীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে হাড্ডি গুড্ডি ভেঙে ফেলার হুমকি প্রদান করায় সাবেক এমপির বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করেছে ভুক্তভোগী সাংবাদিক শফকত হোসাইন চাটগামী।
মামলার বাদী শফকত হোসাইন চাটগামী জানান, সেইদিন পত্রিকার নিউজে আমি নিজের থেকে কিছু লেখিনাই, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাবেক এমপির বিরুদ্ধে আব্দুল গফুরের দেয়া বক্তব্য তুলে ধরেছি, কিন্তু সাবেক এমপি আমাকে টার্গেট করেছে, আমার হাড্ডি গুড্ডি ভেঙে ফেলার হুমকি দিচ্ছে, আমি সাবেক এমপির হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছি, আমার জীবন হুমকির মুখে। তাই আমার জীবনের নিরাপত্তার স্বার্থে আমি আদালতের কাছে প্রতিকার চেয়েছি। আদালত আমার মামলাটি আমলে নিয়েছেন।