গণশুনানিকালে প্রশাসনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, বাঁশখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) জসিম উদ্দিন, আনোয়ারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোহাম্মদ হোসেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী চট্টগ্রাম বাঁশখালী উপজেলা শাখার আমীর ইঞ্জিনিয়ার শহিদুল মোস্তফা, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন দক্ষিণ জেলা নেতা মোক্তার হোসাইন সিকদার, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক শাখাওয়াত জামান দুলাল, যুগ্ম আহ্বায়ক ও বাঁশখালী পৌরসভার সাবেক মেয়র কামরুল ইসলাম হোসাইনী, অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (চট্টগ্রাম জজ কোর্ট) এডভোকেট শাওকত ওসমান, ডা. মোস্তাফিজর রহমান, এডভোকেট মাহমুদুল ইসলাম, এডভোকেট মুজিবল হক, জাহেদুল হক (জাহেদ), দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সদস্য মোঃ নিজাম উদ্দিনসহ বিএনপি ও জামায়াত ইসলামী বাঁশখালী উপজেলা শাখার নেতাবৃন্দসহ বিভিন্ন বাঁশখালী সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দরাসহ বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক, শ্রমিক ও গণমাধ্যমকর্মীরা।
বক্তব্যদানকালে বাঁশখালী উপজেলা জামায়াতের আমীর ইঞ্জিনিয়ার শহিদুল মোস্তফা ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা নেতা মোক্তার হোসাইন সিকদার বলেন, শঙ্খ নদীর উপর নির্মিত আরও পাঁচটি সেতু নির্মাণ পরবর্তী সময় থেকে টোলমুক্ত থাকলেও একমাত্র তৈলারদ্বীপ সেতুতেই টোল আদায় করে আসছিল, এই সেতুতে টোল আদায়ের মাধ্যমে যে সরকার তেমন রাজস্ব পাচ্ছে তা নয় বরং তৎকালীন আওয়ামী স্বৈরশাসকের আমলে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে টোল ইজারার নামে অবৈধ ভাবে টোল আদায় করে আসছিল। পরিবহন শ্রমিকদের কাছ থেকে জোরপূর্বক ইচ্ছে মতো টোল আদায় করতো তারা। তৈলারদ্বীপ সেতুতে অবৈধ টোল আদায় করতে গিয়ে ইজারাদার কতৃপক্ষের হাতে পরিবহন শ্রমিকরা নানা হেনস্তার শিকার হয়েছে যাহা খুবই দুঃখজনক। এছাড়াও যানজট সৃষ্টি করে টোল আদায় করার ফলে দীর্ঘদিন যাবৎ ভোগান্তির শিকার হয়েছে সাধারণ মানুষ। কর্ণফুলী সেতুতে মোটরসাইকেল থেকে কোন ধরনের টোল দিতে হয়না কিন্তু তৈলারদ্বীপ সেতুতে ইজারাদাররা আওয়ামী লীগের দাপট দেখিয়ে প্রতিটি মোটরসাইকেল থেকেও ১০ টাকা করে টোল আদায় করতো।