1. admin@dainiksabujbangla.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাঁশখালীতে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বাঁশখালী বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে মানবিক চিকিৎসক ডাঃ দিদারুল হক,কোমর সমান পানিতে ঘরে ঘরে ত্রাণ পৌঁছালেন বাঁশখালীর বন্যার্ত মানুষের পাশে বিরোধীদলীয় নেতা,জামায়াত আমীর ডাঃ শফিকুর রহমান পানি বন্ধি পরিবারকে পুকুরিয়া জামায়াতের ত্রাণ বিতরণ পানির ভয়াবহতায় নীরবে কাঁদছে পুকুরিয়ার পানিবন্দি ৩ শতাধিক পরিবার বাঁশখালীর পানি বন্দি মানুষের পাশে মানবিক চিকিৎসক ডা. আসিফুল হক বাঁশখালীতে সড়ক দূর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু বাঁশখালীতে সাইন্টিফিক সেমিনার ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জয়নাল আবেদীন বাঁশখালীতে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

বাঁশখালীর ব্যস্ততম দুই সড়কের বেহাল দশা, জবদূর্ভোগ চরমে

  • আপডেট সময় : শনিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ২২২ বার পঠিত

মুহাম্মদ দিদার হোসাইনঃ
চট্টগ্রামের বাঁশখালীর টাইমবাজার থেকে গণ্ডামারা ব্রীজ সংযোগ এবং চাম্বল বাজার থেকে বাংলা বাজার ও হাব্বানিয়া বাজার হয়ে সকাল বাজার সংযোগ ব্যস্ততম দু’টি সড়ক দীর্ঘ দেড়যুগের অধিক সময় ধরে সংস্কার না হওয়া সড়ক দু’টির বেহাল দশার সৃষ্টি হয়েছে।খানাখন্দে ভরে গেছে সড়ক দু’টি, চরম দুর্ভোগে পড়েছে হাজারো মানুষ। এরইমধ্যে সড়ক দু’টিতে আলাদা আলাদা প্যাকেজে সাড়ে ৮ কোটি টাকা বরাদ্দের কাজ শুরু হওয়ার কিছু দিন যেতে না যেতেই মাসের পর মাস বন্ধ রয়েছে এ সড়ক দু’টির সংস্কার কাজ। তবে বৃষ্টির কারণে কার্পেটিং কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানান প্রকৌশলী এলজিইডি কাজী ফাহাদ বিন মাহমুদ।

শনিবার (১৬ আগস্ট) সরেজমিনে পরিদর্শনকালে এ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দু’টির বেহাল পরিস্থিতির দৃশ্য দেখা যায়। সড়ক দু’টি সংস্কার করতে শীলকূপ, গণ্ডামারা, বড়ঘোনা এবং চাম্বল এলাকার হাজারো মানুষের প্রাণের দাবি থাকলেও এখনও পর্যন্ত কোনো ধরনের সংস্কারের ছোঁয়া লাগেনি ওই দুই সড়কে বর্তমানে সড়ক দু’টি অচলাবস্থা হয়ে গেছে। বিকল্প সড়ক না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে বাধ্য হয়ে চলাচল করছে হাজার হাজার মানুষ। 

তৎকালীন সরকারের আমলে একাধিক বার সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হলেও কাজের কাজ কিছুই  হয়নি। এরইমধ্যে এ দু’টি সড়কে এলজিইডি থেকে দেওয়া সাড়ে ৮ কোটি বরাদ্দের কাজ শুরু হওয়ার কিছুদিন যেতে না যেতেই অদৃশ্য কারণে উধাও হয়ে যায় কাজের দায়িত্ব পাওয়া ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের লোকজন। গত বছর শীলকূপের টাইম বাজার থেকে গণ্ডামারা সংযোগ সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু করা হলেও মাসের পর মাস বন্ধ রাখা হয়েছে কাজ।সড়কটির কাজের দায়িত্ব পাওয়া ঠিকাদার নিযুক্ত  লোকজন কাজ বন্ধ করে চলে যাওয়ার মাসের পর মাস দেখা মেলছেনা তাদের। একইভাবে বন্ধ রয়েছে চাম্বল বাজার থেকে বাংলা বাজার সংযোগ সড়কটির সংস্কার কাজ। সড়ক দু’টির মেজেতে সৃষ্ট গর্ত গুলো দেখলে মনে হয় যেনো ছোট- বড় জলাশয়। তবে ওই সড়ক দু’টির চলমান সংস্কার কাজ মাসের পর মাস কেন বন্ধ রাখা হয়েছে তাও স্পষ্ট নয়। তবে অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে কার্পেটিং কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে উপজেলা এলজিইডি অফিস সুত্রে জানা গেছে। 

খাটখালী বাজার, বাংলা বাজার, হাব্বানিয়া বাজার, সকাল বাজার, নোয়া মার্কেট, গণ্ডামারা বাজার, নুরু মার্কেট, টাইমবাজার, চাম্বল বাজার এলাকার শত শত ব্যবসায়ী, গণ্ডামারা রহমানিয়া ফাযিল ডিগ্রি মাদ্রাসা, গণ্ডামারা-বড়ঘোনা উচ্চ বিদ্যালয়, পশ্চিম বড়ঘোনা রহমানিয়া মাদ্রাসা মাদ্রাসা, দারুল হিকমা মাদ্রাসা, দিদারিয়া মাদ্রাসা, বাংলা বাজার শাহ আমানত দাখিল মাদ্রাসা, চাম্বল উচ্চ বিদ্যালয়, বাঁশখালী কলেজ, রঙ্গিয়াঘোনা ফাযিল ডিগ্রি মাদ্রাসা, মনকিরচর বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পড়ুয়া হাজারো শিক্ষার্থীরাসহ অন্তত অর্ধশতাধিক লক্ষাধিক মানুষের একমাত্র চলাচল মাধ্যম সড়ক দু’টি দীর্ঘ দেড়যুগ ধরে সংস্কার না হওয়ায় সড়ক দু’টি এখন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা সদরের সাথে পশ্চিমাঞ্চলের  যোগাযোগও এখন অনেকটাই বিচ্ছিন্ন অবস্থা বিরাজ করলেও দেখার কেউ নেই। শিশু শিক্ষার্থীরা স্কুল -মাদ্রাসায় যাতায়াত করতে গিয়ে কাঁদা পানিতে পড়ে যাওয়াতে নষ্ট হয়ে যায় তাদের ব্যাগ ও বই-খাতা।

এবিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) কাজী ফাহাদ বিন মাহমুদ বলেন, টাইমবাজার থেকে গণ্ডামারা ব্রীজ সংযোগ সড়কে ৩ কোটি বরাদ্দের সাড়ে ৪কি.মি. কার্পেটিং কাজ এবং চাম্বল বাজার থেকে বাংলা পর্যন্ত একটি প্যাকেজে দেড় কোটি টাকা বরাদ্দের ২ কি.মি. কার্পেটিং কাজ এবং দ্বিতীয় প্যাকেজে বাংলা বাজার থেকে হাব্বানিয়া বাজার হয়ে সকাল বাজার সংযোগ সড়কে ৪ কোটি টাকা বরাদ্দের ৪ কি.মি. কার্পেটিং কাজ চলছে। নিফা এন্টারপ্রাইজ এবং জামশেদ এন্টারপ্রাইজ নামে দুটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ওই কাজের দায়িত্ব পেয়েছে। এই দু’টি সড়কে সাড়ে ৮ কোটি টাকা বরাদ্দের কাজ চলছে। তবে অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। যেহেতু বৃষ্টির মধ্যে কার্পেটিং কাজ করলে সেই কার্পেটিং গুলো কিছু দিন যেতে না যেতে উঠে যাবে। বৃষ্টি বন্ধ হয়ে গেলো সড়ক দু’টির কার্পেটিং কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা হবে বলে জানান প্রকৌশলী ফাহাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2022 Dainik Sabuj Bangla
Theme Customized By Shakil IT Park