গণসংযোগ ও শোডাউনটি নগরীর চকবাজারস্থ কাঁচাবাজার থেকে কলেজ রোড হয়ে গুলজার মোড় এসে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত পথসভায় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী চট্টগ্রাম চকবাজার থানা শাখা সেক্রেটারি মো. সাদুর রশিদ চৌধুরীসহ ব্যবসায়ি নেতৃবৃন্দ। এসময় শত শত ব্যবসায়ীসহ জামায়াতের বিভিন্ন দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।পথসভায় জামায়াত ইসলামী চকবাজার থানা শাখার সেক্রেটারি সাদুর রশিদ চৌধুরী বলেন, বিগত সাড়ে সতেরো বছর যাবত ব্যবসায়িরা নানা নির্যাতনের শিকার হয়েছে, তথাকথিত আওয়ামী স্বৈরাচারের বিভিন্ন সন্ত্রাসীরা সংঘবদ্ধ হয়ে পুরো দেশে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ ও জবরদখলের রাজত্ব কায়েম করলেও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ প্রতিটি সেক্টরের মানুষ আওয়ামী সন্ত্রাসীদের ভয়ে মূখ খোলতে সাহস পেতোনা। তাদের হামলা ও মিথ্যা মামলা এবং হয়রানি থেকে রেহাই পায়নি ব্যবসায়িসহ কোন শ্রেণির পেশার মানুষ। মিথ্যা মামলা ও হয়রানির ভয় দেখিয়ে ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে রেখেছিল সন্ত্রাসীরা, হামলা, মামলা, খুন, গুমসহ নানা হয়রানির শিকার হয়েছে অনেক ব্যবসায়িরা।
জুলাই-আগস্টে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হতাহত ছাত্র -জনতার আত্মত্যাগে ৫ আগস্ট গণবিপ্লবের মধ্যদিয়ে ফ্যাসিস সরকার পতনের পর দীর্ঘ জিম্মিদশা থেকে মুক্তিলাভ করেছে দেশের মানুষ। জুলাই -আগস্টে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে নিহত সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনা করে জামায়াত সেক্রেটারি আরও বলেন, তথাকথিত ফ্যাসিস সরকারের পতন হলেও কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহল এদেশকে পুনরায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দখলবাজিতে পরিণত করার দুঃসাহস দেখাচ্ছে। অপরদিকে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী সারাদেশে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দখলবাজদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছে। সব ধরনের সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, অস্ত্রবাজ ও দখলবাজদের রুখে দেয়ার হুঁশিয়ারিও দেন বক্তারা।
Leave a Reply