
দৈনিক সবুজ বাংলা ডেস্কঃ
চট্টগ্রামের বাঁশখালী গণ্ডামারায় মোস্তফা আলী (৪২) নামের এক যুবদল নেতাকে হাতের কব্জি কেটে দেয়ার ঘটনার মামলায় ৩ আসামীকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতারা হলেন, গণ্ডামারা ১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তফা আলী (৫২), সহ-সভাপতি জাফর আহমদ (৫২), মোঃ শাহাদাত (২৯)।
মামলার এজাহার সুত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার (২৩ আগষ্ট) রাতে উপজেলার গন্ডামারা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মনাজী পুকুর পাড় এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে।ওইদিন ঘটনাস্থল থেকে আহত মোস্তফা আলীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখান থেকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করা হয়। আহত মোস্তফা আলী গন্ডামারা ইউপির ১নং ওয়ার্ডের হাজী নজির আহমদের ছেলে।
মামলার বাদী মোঃ ইসমাইল বলেন, আমার ভাই মোস্তফা আলী ও আমি বিএনপি করি বলে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় হাজত কেটেছি। শুক্রবার রাতে মনাজী পুকুর পাড়ের একটি চায়ের দোকানে বসে আমরা দুই ভাই চা খাচ্ছিলাম। ওই সময় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আলম ও সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও তাঁর ছেলে তারেক জিয়াকে উদ্দেশ্য করে অশ্লীল কথাবার্তা বলাতে আমার ভাই মোস্তফা আলী প্রতিবাদ করে ওঠে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নুরুল আলম ও নুরুল ইসলামসহ কয়েকজন মিলে আমার ভাইকে ওই দোকান থেকে ধরে অন্ধকারে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে আমার ভাইকে বেধড়ক মারধর করে এবং ধারালো অস্ত্রের কোপ দিয়ে আমার ভাইয়ের বাম হাতের কব্জি কেটে দেয়। এ ব্যাপারে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমার ভাই মোস্তফা আলী বর্তমানে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। ঘটনার সাথে জড়িত সকল আসামীকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে আহতের পরিবার ও স্বজনরা।
এবিষয়ে বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তোফায়েল আহমদ গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এই ঘটনায় মোঃ ইসমাইল বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে। ৩জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অপরাধীরা যতই প্রভাবশালী হোকনা কেন অপরাধ করে পার পাওয়ার কোন সুযোগ নেই। ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান ওসি তোফায়েল।
Leave a Reply